ঢাকা ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়নের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, লিখিত অংশে ৬৫ শতাংশ ও কার্যক্রমভিত্তিক অংশে ৩৫ শতাংশের মূল্যায়ন সম্পন্ন হবে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪ ৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি


নতুন শিক্ষাক্রমে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সামষ্টিক মূল্যায়নের লিখিত অংশের ওজন হতে যাচ্ছে ৬৫ শতাংশ। আর কার্যক্রমভিত্তিক অংশের ওজন হবে ৩৫ শতাংশ। সাম্প্রতিক মূল্যায়নের বিষয়ে সংক্রান্ত কমিটির সুপারিশ থেকে কিছুটা পরিবর্তন এনে লিখিত অংশের ওজন বাড়ানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর প্রেসিডেন্স করে একটি সভায় এ বিষয়ে আলোচনা ও প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী, দুই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।


সম্প্রতি নতুন শিক্ষাক্রমে বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নপদ্ধতির চূড়ান্তকরণের কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটি যে চূড়ান্ত সুপারিশ করেছিল, তাতে কার্যক্রমভিত্তিক (অর্থাৎ হাতে-কলমে) মূল্যায়নের ওজন ৫০ শতাংশ আর লিখিত অংশের ওজন ৫০ শতাংশ করতে বলেছিল। কার্যক্রমে বলতে বোঝানো হচ্ছে অ্যাসাইনমেন্ট করা, উপস্থাপন, অনুসন্ধান, প্রদর্শন, সমস্যার সমাধান করা, পরিকল্পনা প্রণয়ন ইত্যাদি।

আজকের বৈঠকে উপস্থিত দুজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির সঙ্গে কথা হয় প্রথম আলোর। তাঁদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বৈঠকে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে নতুন শিক্ষাক্রমে অনুযায়ী পাবলিক পরীক্ষা অর্থাৎ এসএসসি পরীক্ষায় লিখিত অংশের ওয়েটেজ ৬৫ শতাংশ এবং কার্যক্রমভিত্তিক অংশের ওয়েটেজ হবে ৩৫ শতাংশ। প্রথম বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে কার্যক্রমভিত্তিক অংশের ওয়েটেজ বাড়ানো হবে। লিখিত অংশের প্রশ্নপত্র হবে কার্যক্রমের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল রেখে অর্থাৎ প্রশ্ন হবে দুই অংশের মধ্যে আন্তসম্পর্ক বজায় রেখে।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এখন এনসিটিবি দ্রুত আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষ করলে এটিকে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পূর্বনির্ধারিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) সভায় তোলা হবে।

জানা গেছে, ওই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী লিখিত ও কার্যক্রমভিত্তিক মূল্যায়ন মিলিয়ে সময়টি পাঁচ ঘণ্টাই রাখা হয়েছে। নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী দশম শ্রেণি শেষে যে পাবলিক পরীক্ষা হবে, সেটির নাম এখনকার মতো মাধ্যমিক


সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ বলছেন যে মূল্যায়নটি দ্রুত চূড়ান্ত করা উচিত। কারণ, বর্তমানে যারা নবম শ্রেণিতে পড়ে, তারা নতুন শিক্ষাক্রমে অনুযায়ী প্রথমবারের মতো এসএসসি পরীক্ষা দেবে। নবম শ্রেণিতে তাদের অধ্যয়নকাল পাঁচ মাস চলছে। কিন্তু তাদের এসএসসি পরীক্ষার মূল্যায়ন কেমন করা হবে, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অবশ্য নতুন শিক্ষাক্রমের অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষা হবে দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ভিত্তিতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়নের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, লিখিত অংশে ৬৫ শতাংশ ও কার্যক্রমভিত্তিক অংশে ৩৫ শতাংশের মূল্যায়ন সম্পন্ন হবে।

আপডেট সময় : ০৬:১৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪


নতুন শিক্ষাক্রমে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সামষ্টিক মূল্যায়নের লিখিত অংশের ওজন হতে যাচ্ছে ৬৫ শতাংশ। আর কার্যক্রমভিত্তিক অংশের ওজন হবে ৩৫ শতাংশ। সাম্প্রতিক মূল্যায়নের বিষয়ে সংক্রান্ত কমিটির সুপারিশ থেকে কিছুটা পরিবর্তন এনে লিখিত অংশের ওজন বাড়ানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর প্রেসিডেন্স করে একটি সভায় এ বিষয়ে আলোচনা ও প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী, দুই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।


সম্প্রতি নতুন শিক্ষাক্রমে বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নপদ্ধতির চূড়ান্তকরণের কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটি যে চূড়ান্ত সুপারিশ করেছিল, তাতে কার্যক্রমভিত্তিক (অর্থাৎ হাতে-কলমে) মূল্যায়নের ওজন ৫০ শতাংশ আর লিখিত অংশের ওজন ৫০ শতাংশ করতে বলেছিল। কার্যক্রমে বলতে বোঝানো হচ্ছে অ্যাসাইনমেন্ট করা, উপস্থাপন, অনুসন্ধান, প্রদর্শন, সমস্যার সমাধান করা, পরিকল্পনা প্রণয়ন ইত্যাদি।

আজকের বৈঠকে উপস্থিত দুজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির সঙ্গে কথা হয় প্রথম আলোর। তাঁদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বৈঠকে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে নতুন শিক্ষাক্রমে অনুযায়ী পাবলিক পরীক্ষা অর্থাৎ এসএসসি পরীক্ষায় লিখিত অংশের ওয়েটেজ ৬৫ শতাংশ এবং কার্যক্রমভিত্তিক অংশের ওয়েটেজ হবে ৩৫ শতাংশ। প্রথম বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে কার্যক্রমভিত্তিক অংশের ওয়েটেজ বাড়ানো হবে। লিখিত অংশের প্রশ্নপত্র হবে কার্যক্রমের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল রেখে অর্থাৎ প্রশ্ন হবে দুই অংশের মধ্যে আন্তসম্পর্ক বজায় রেখে।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এখন এনসিটিবি দ্রুত আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষ করলে এটিকে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পূর্বনির্ধারিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) সভায় তোলা হবে।

জানা গেছে, ওই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী লিখিত ও কার্যক্রমভিত্তিক মূল্যায়ন মিলিয়ে সময়টি পাঁচ ঘণ্টাই রাখা হয়েছে। নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী দশম শ্রেণি শেষে যে পাবলিক পরীক্ষা হবে, সেটির নাম এখনকার মতো মাধ্যমিক


সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ বলছেন যে মূল্যায়নটি দ্রুত চূড়ান্ত করা উচিত। কারণ, বর্তমানে যারা নবম শ্রেণিতে পড়ে, তারা নতুন শিক্ষাক্রমে অনুযায়ী প্রথমবারের মতো এসএসসি পরীক্ষা দেবে। নবম শ্রেণিতে তাদের অধ্যয়নকাল পাঁচ মাস চলছে। কিন্তু তাদের এসএসসি পরীক্ষার মূল্যায়ন কেমন করা হবে, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অবশ্য নতুন শিক্ষাক্রমের অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষা হবে দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ভিত্তিতে।