ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফিটনেস ধরে রাখার কিছু কৌশল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪ ৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়স্ক সুস্থ ও শারীরিকভাবে ফিট মানুষের সপ্তাহে ১৫০ মিনিট মাঝারি গতিতে বা ৭৫ মিনিট জোর গতিতে অ্যারোবিক ব্যায়াম করা উচিত। সপ্তাহে ২-৩ দিন পেশিশক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম করাও জরুরি। অ্যারোবিক ব্যায়ামের মধ্যে রয়েছে হাঁটা, জগিং, সাইকেল চালানো, স্কিপিং, সাঁতার কাটা ইত্যাদি। পার্কে বা রাস্তায় যেতে না পারলে ট্রেডমিল বা ছাদে হাঁটুন, স্পট জগিং করুন, স্পট স্কিপিং করুন বা স্ট্যাটিক সাইকেল চালান।

সাধ্যমতো জোরে হাঁটলে হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের বেশি উপকার হয়। টানা ২০-৩০ মিনিট হাঁটতে হবে। টানা হাঁটা সম্ভব না হলে, সকালে ২০ মিনিট ও বিকেলে ২০ মিনিট হাঁটুন। হাঁটু-কোমর-গোড়ালির অবস্থা দেখে নেবেন। হৃদযন্ত্র-ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কম থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যারোবিক ব্যায়াম করুন। তবে হাঁটা বা জগিংয়ের আগে ভালো মানের হাঁটার জুতো পরুন, না হলে পায়ে ব্যথা হতে পারে।

স্ট্রেচিং কীভাবে করতে হয়, তা কমবেশি সবাই জানেন। বিশেষ কিছু নয়, শরীরের প্রতিটি পেশিসন্ধিকে সচল রাখার জন্য এই ব্যায়াম খুবই উপকারী।আরো জানুন

পেশি জোরদার করার ব্যায়াম দুইভাবে করা যায়: ওজন নিয়ে ও শরীরের ওজন ব্যবহার করে। বিভিন্ন ধরনের স্কোয়াট, লেগ রাইজিং, প্ল্যাঙ্ক, পুশ-আপ ইত্যাদি উপায়ে এসব ব্যায়াম করা যায়। তবে বয়স্ক বা ক্রনিক অসুখে আক্রান্ত বা ফিটনেস কম কিংবা হাঁটু-কোমরের ব্যথা আছে এমন মানুষের জন্য অবশ্যই একজন ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ইদানীং কয়েকটি নতুন ধরনের ব্যায়ামের ধারা চালু হয়েছে। এগুলোতে সুরের তালে তালে অ্যারোবিকের সঙ্গে স্ট্রেচিং, ব্যালেন্সিং, স্ট্রেংথ ট্রেনিং—সব করা যায়।বিস্তারিত

জুম্বা করতে পারেন, তবে বয়স কম ও ফিটনেস বেশি থাকলে তবেই। ফিটনেস ভালো থাকলে বেশি বয়সেও এ ব্যায়াম করা যায়। এ ব্যায়ামে শরীর-মন দুটোই ভালো থাকে।

ইয়োগা করতে পারেন। এটা সব বয়সের মানুষই করতে পারেন। আমাদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও জরুরি। মেডিটেশনের মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানো যায়।

বেশির ভাগ সময় সচল থাকার চেষ্টা করুন। এক জায়গায় টানা বসে না থেকে কিছুক্ষণ পরপর উঠে দাঁড়ান, হাঁটাহাঁটি করুন। প্রয়োজনে হালকা ব্যায়ামও করতে পারেন। এমন গতিতে হাঁটুন যাতে শরীর ঘেমে যায়।

আরো বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফিটনেস ধরে রাখার কিছু কৌশল

আপডেট সময় : ০৯:০৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়স্ক সুস্থ ও শারীরিকভাবে ফিট মানুষের সপ্তাহে ১৫০ মিনিট মাঝারি গতিতে বা ৭৫ মিনিট জোর গতিতে অ্যারোবিক ব্যায়াম করা উচিত। সপ্তাহে ২-৩ দিন পেশিশক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম করাও জরুরি। অ্যারোবিক ব্যায়ামের মধ্যে রয়েছে হাঁটা, জগিং, সাইকেল চালানো, স্কিপিং, সাঁতার কাটা ইত্যাদি। পার্কে বা রাস্তায় যেতে না পারলে ট্রেডমিল বা ছাদে হাঁটুন, স্পট জগিং করুন, স্পট স্কিপিং করুন বা স্ট্যাটিক সাইকেল চালান।

সাধ্যমতো জোরে হাঁটলে হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের বেশি উপকার হয়। টানা ২০-৩০ মিনিট হাঁটতে হবে। টানা হাঁটা সম্ভব না হলে, সকালে ২০ মিনিট ও বিকেলে ২০ মিনিট হাঁটুন। হাঁটু-কোমর-গোড়ালির অবস্থা দেখে নেবেন। হৃদযন্ত্র-ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কম থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যারোবিক ব্যায়াম করুন। তবে হাঁটা বা জগিংয়ের আগে ভালো মানের হাঁটার জুতো পরুন, না হলে পায়ে ব্যথা হতে পারে।

স্ট্রেচিং কীভাবে করতে হয়, তা কমবেশি সবাই জানেন। বিশেষ কিছু নয়, শরীরের প্রতিটি পেশিসন্ধিকে সচল রাখার জন্য এই ব্যায়াম খুবই উপকারী।আরো জানুন

পেশি জোরদার করার ব্যায়াম দুইভাবে করা যায়: ওজন নিয়ে ও শরীরের ওজন ব্যবহার করে। বিভিন্ন ধরনের স্কোয়াট, লেগ রাইজিং, প্ল্যাঙ্ক, পুশ-আপ ইত্যাদি উপায়ে এসব ব্যায়াম করা যায়। তবে বয়স্ক বা ক্রনিক অসুখে আক্রান্ত বা ফিটনেস কম কিংবা হাঁটু-কোমরের ব্যথা আছে এমন মানুষের জন্য অবশ্যই একজন ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ইদানীং কয়েকটি নতুন ধরনের ব্যায়ামের ধারা চালু হয়েছে। এগুলোতে সুরের তালে তালে অ্যারোবিকের সঙ্গে স্ট্রেচিং, ব্যালেন্সিং, স্ট্রেংথ ট্রেনিং—সব করা যায়।বিস্তারিত

জুম্বা করতে পারেন, তবে বয়স কম ও ফিটনেস বেশি থাকলে তবেই। ফিটনেস ভালো থাকলে বেশি বয়সেও এ ব্যায়াম করা যায়। এ ব্যায়ামে শরীর-মন দুটোই ভালো থাকে।

ইয়োগা করতে পারেন। এটা সব বয়সের মানুষই করতে পারেন। আমাদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও জরুরি। মেডিটেশনের মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানো যায়।

বেশির ভাগ সময় সচল থাকার চেষ্টা করুন। এক জায়গায় টানা বসে না থেকে কিছুক্ষণ পরপর উঠে দাঁড়ান, হাঁটাহাঁটি করুন। প্রয়োজনে হালকা ব্যায়ামও করতে পারেন। এমন গতিতে হাঁটুন যাতে শরীর ঘেমে যায়।

আরো বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন