ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের চুক্তির মেয়াদ আজ শেষ।৪০ হাজার কর্মীর ভাগ্য অনিশ্চিত।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪ ২৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিন্ডিকেটের পকেটে জমা পড়েছে ১৪ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর জন্য দুই দেশের মধ্যে করা চুক্তির মেয়াদ আজ, ৩১ মে, শেষ হচ্ছে। সময় বাড়ানোর জন্য ঢাকার পক্ষ থেকে সম্প্রতি চিঠি পাঠানো হলেও কুয়ালালামপুর থেকে এখনো কোনো জবাব আসেনি। এতে ৪০ হাজার কর্মীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে; চাহিদাপত্র থাকা সত্ত্বেও চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা মালয়েশিয়ায় যেতে পারছেন না।

অনেকের মতে, এই সমস্যার পেছনে রয়েছে রুহুল আমিন স্বপনের নেতৃত্বাধীন একটি চক্র। তারা ভুয়া কোম্পানি খুলে অতিরিক্ত চাহিদা দেখিয়ে চাহিদাপত্র তৈরি করেছে। ফলে মালয়েশিয়ায় অতিরিক্ত কর্মী গিয়ে কাজ না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন।

জানা গেছে, বেস্টিনেট নামে একটি কোম্পানির মালিকানা রয়েছে মালয়েশিয়ান ব্যবসায়ী দাতো শ্রী আমিন ও বাংলাদেশি ব্যবসায়ী রুহুল আমিন স্বপনের। তাদের আইটি প্রতিষ্ঠান এফডব্লিউসিএমএস-এর মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর কারণে বাংলাদেশকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অনেক ব্যবসায়ীই এই প্রযুক্তি বাতিলের দাবি জানালেও, চুক্তিতে এটি অনুমোদিত হয়। এর ফলে একটি চক্র অপতৎপরতা শুরু করে, যার ফলস্বরূপ ৪০ হাজার কর্মীর ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এফডব্লিউসিএমএস পদ্ধতি ব্যবহার করে রুহুল আমিন স্বপন ও তাদের সহযোগীরা ১৪ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগীরা মালয়েশিয়ায় কাজ পাচ্ছেন না এবং প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তারা চক্রের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছেন এবং বলেছেন, মালয়েশিয়ায় অন্যান্য দেশের মতো পদ্ধতিতে কর্মী নেওয়া হলে এমন পরিস্থিতি হতো না। কিন্তু বৈধ সব এজেন্সিকে সুযোগ না দিয়ে ২৫-৩০ জনের সিন্ডিকেট তৈরি করে তাদের মাধ্যমে কর্মী নেওয়ার ফলে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

রুহুল আমিন স্বপনের চক্র কর্মীপ্রতি ৩ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা এবং চাহিদাপত্র বিক্রি করে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা নিয়েছে। এছাড়াও, অনুমোদনের বিপরীতে মাথাপিছু ৪০ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছে। মোটা টাকা হাতিয়ে নিয়ে চক্রটি এখন কর্মীদের কাজ দিতে পারছে না।

ব্যবসায়ীরা প্রশ্ন তুলেছেন, কেন অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের সঙ্গেও চুক্তি হয়নি। তারা জানান, চক্রটি চুক্তিতে এমন শর্ত রেখেছে যে, মালয়েশিয়া এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে এবং তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিতে পারবে। ঢাকার পক্ষ থেকে এমন একপক্ষীয় শর্ত মেনে নেওয়ার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, দুই দেশের চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে ঢাকার করণীয় কী হবে? এমন প্রশ্নে প্রবাসীকল্যাণ ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী গতকাল মুঠোফোনে আমাদের সময়কে জানান, চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য মালয়েশিয়ার সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এখনও কোনো জবাব আসেনি, তাই কিছু বলা যাচ্ছে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) চেয়ারপারসন ড. তাসনীম সিদ্দিকী বলেন, “আমরা সবাই বলেছিলাম, কর্মী প্রেরণে সিন্ডিকেট হলে বিপদ আসবে। কেউ শোনেনি। এখন সত্যিই বিপদ নেমে এসেছে। নেপালসহ অন্যান্য ১৪টি দেশের সঙ্গে মালয়েশিয়া এমন চুক্তি না করলেও বাংলাদেশের সঙ্গে করেছে। অথচ অন্য দেশগুলোর ক্ষেত্রে কর্মী প্রেরণ অনেকটাই উন্মুক্ত রয়েছে। সেসব দেশে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রেই উল্টোটা ঘটেছে। এর পরিণাম ভোগ করতে হচ্ছে বিদেশে গমনেচ্ছু সাধারণ অসহায় মানুষদের।”

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সাবেক মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান জানান, “বাংলাদেশকে এফডব্লিউসিএমএস পদ্ধতির খেসারত দিতে হচ্ছে। কিছু মানুষের কারণে পুরো জনশক্তি রপ্তানি খাতই এখন হুমকির মুখে। নেপালসহ বিশ্বের অন্য দেশগুলো যেভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ করেছে, আমরাও একই পদ্ধতির দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের দাবি না শুনে সিন্ডিকেটকে অনুমোদন দেওয়া হলো। এর ফলে লাইসেন্সধারী শত শত এজেন্সি কর্মী পাঠানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বাজার হারিয়েছে সুষম প্রতিযোগিতা। মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের কাছে জিম্মি হয়েছে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ। এফডব্লিউসিএমএস পদ্ধতি থেকে বাংলাদেশকে সরে আসতে হবে, নয়তো দুর্দশা কাটবে না।”

বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হানজা মোহাম্মদ হাশিম গত বুধবার এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের জানান, “বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৫টি দেশ থেকে কর্মী সংগ্রহ করে মালয়েশিয়া। এসব দেশ থেকে আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ের ভালো কর্মী নিয়ে থাকি। এক্ষেত্রে সিন্ডিকেট থাকতে পারে, যা দুই দেশের সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। একটি বিষয় ওপেন সিক্রেট যে, মালয়েশিয়ায় প্রচুর অবৈধ লোকজন বসবাস করছে। তাই মালয়েশিয়া সরকার দেশের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এবং কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিদেশি কর্মী সংক্রান্ত রিক্যালিব্রেশন কর্মসূচি নতুনভাবে সাজাচ্ছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের চুক্তির মেয়াদ আজ শেষ।৪০ হাজার কর্মীর ভাগ্য অনিশ্চিত।

আপডেট সময় : ০৪:১৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪

সিন্ডিকেটের পকেটে জমা পড়েছে ১৪ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর জন্য দুই দেশের মধ্যে করা চুক্তির মেয়াদ আজ, ৩১ মে, শেষ হচ্ছে। সময় বাড়ানোর জন্য ঢাকার পক্ষ থেকে সম্প্রতি চিঠি পাঠানো হলেও কুয়ালালামপুর থেকে এখনো কোনো জবাব আসেনি। এতে ৪০ হাজার কর্মীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে; চাহিদাপত্র থাকা সত্ত্বেও চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা মালয়েশিয়ায় যেতে পারছেন না।

অনেকের মতে, এই সমস্যার পেছনে রয়েছে রুহুল আমিন স্বপনের নেতৃত্বাধীন একটি চক্র। তারা ভুয়া কোম্পানি খুলে অতিরিক্ত চাহিদা দেখিয়ে চাহিদাপত্র তৈরি করেছে। ফলে মালয়েশিয়ায় অতিরিক্ত কর্মী গিয়ে কাজ না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন।

জানা গেছে, বেস্টিনেট নামে একটি কোম্পানির মালিকানা রয়েছে মালয়েশিয়ান ব্যবসায়ী দাতো শ্রী আমিন ও বাংলাদেশি ব্যবসায়ী রুহুল আমিন স্বপনের। তাদের আইটি প্রতিষ্ঠান এফডব্লিউসিএমএস-এর মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর কারণে বাংলাদেশকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অনেক ব্যবসায়ীই এই প্রযুক্তি বাতিলের দাবি জানালেও, চুক্তিতে এটি অনুমোদিত হয়। এর ফলে একটি চক্র অপতৎপরতা শুরু করে, যার ফলস্বরূপ ৪০ হাজার কর্মীর ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এফডব্লিউসিএমএস পদ্ধতি ব্যবহার করে রুহুল আমিন স্বপন ও তাদের সহযোগীরা ১৪ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগীরা মালয়েশিয়ায় কাজ পাচ্ছেন না এবং প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তারা চক্রের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছেন এবং বলেছেন, মালয়েশিয়ায় অন্যান্য দেশের মতো পদ্ধতিতে কর্মী নেওয়া হলে এমন পরিস্থিতি হতো না। কিন্তু বৈধ সব এজেন্সিকে সুযোগ না দিয়ে ২৫-৩০ জনের সিন্ডিকেট তৈরি করে তাদের মাধ্যমে কর্মী নেওয়ার ফলে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

রুহুল আমিন স্বপনের চক্র কর্মীপ্রতি ৩ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা এবং চাহিদাপত্র বিক্রি করে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা নিয়েছে। এছাড়াও, অনুমোদনের বিপরীতে মাথাপিছু ৪০ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছে। মোটা টাকা হাতিয়ে নিয়ে চক্রটি এখন কর্মীদের কাজ দিতে পারছে না।

ব্যবসায়ীরা প্রশ্ন তুলেছেন, কেন অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের সঙ্গেও চুক্তি হয়নি। তারা জানান, চক্রটি চুক্তিতে এমন শর্ত রেখেছে যে, মালয়েশিয়া এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে এবং তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিতে পারবে। ঢাকার পক্ষ থেকে এমন একপক্ষীয় শর্ত মেনে নেওয়ার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, দুই দেশের চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে ঢাকার করণীয় কী হবে? এমন প্রশ্নে প্রবাসীকল্যাণ ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী গতকাল মুঠোফোনে আমাদের সময়কে জানান, চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য মালয়েশিয়ার সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এখনও কোনো জবাব আসেনি, তাই কিছু বলা যাচ্ছে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) চেয়ারপারসন ড. তাসনীম সিদ্দিকী বলেন, “আমরা সবাই বলেছিলাম, কর্মী প্রেরণে সিন্ডিকেট হলে বিপদ আসবে। কেউ শোনেনি। এখন সত্যিই বিপদ নেমে এসেছে। নেপালসহ অন্যান্য ১৪টি দেশের সঙ্গে মালয়েশিয়া এমন চুক্তি না করলেও বাংলাদেশের সঙ্গে করেছে। অথচ অন্য দেশগুলোর ক্ষেত্রে কর্মী প্রেরণ অনেকটাই উন্মুক্ত রয়েছে। সেসব দেশে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রেই উল্টোটা ঘটেছে। এর পরিণাম ভোগ করতে হচ্ছে বিদেশে গমনেচ্ছু সাধারণ অসহায় মানুষদের।”

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সাবেক মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান জানান, “বাংলাদেশকে এফডব্লিউসিএমএস পদ্ধতির খেসারত দিতে হচ্ছে। কিছু মানুষের কারণে পুরো জনশক্তি রপ্তানি খাতই এখন হুমকির মুখে। নেপালসহ বিশ্বের অন্য দেশগুলো যেভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ করেছে, আমরাও একই পদ্ধতির দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের দাবি না শুনে সিন্ডিকেটকে অনুমোদন দেওয়া হলো। এর ফলে লাইসেন্সধারী শত শত এজেন্সি কর্মী পাঠানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বাজার হারিয়েছে সুষম প্রতিযোগিতা। মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের কাছে জিম্মি হয়েছে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ। এফডব্লিউসিএমএস পদ্ধতি থেকে বাংলাদেশকে সরে আসতে হবে, নয়তো দুর্দশা কাটবে না।”

বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হানজা মোহাম্মদ হাশিম গত বুধবার এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের জানান, “বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৫টি দেশ থেকে কর্মী সংগ্রহ করে মালয়েশিয়া। এসব দেশ থেকে আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ের ভালো কর্মী নিয়ে থাকি। এক্ষেত্রে সিন্ডিকেট থাকতে পারে, যা দুই দেশের সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। একটি বিষয় ওপেন সিক্রেট যে, মালয়েশিয়ায় প্রচুর অবৈধ লোকজন বসবাস করছে। তাই মালয়েশিয়া সরকার দেশের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এবং কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিদেশি কর্মী সংক্রান্ত রিক্যালিব্রেশন কর্মসূচি নতুনভাবে সাজাচ্ছে।”