ঢাকা ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা | কি করনীয়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪ ২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাসিকের সময় তলপেটের ব্যথা: করণীয়

মাসিকের সময় তলপেটে খানিক ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। বিশেষত ২০ বছরের কম বয়সী মেয়েদের মধ্যে এমন ব্যথা বেশি হয়। তবে যেকোনো বয়সেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা অনিয়মিত মাসিক হলে ব্যথা তীব্র হতে পারে। কারো কারো মাসিক শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে থেকেই পেটব্যথা হতে পারে, যা মাসিক শুরু হওয়ার পর কমে যায়।

ব্যথা কমানোর উপায়

যদি মাসিকের ব্যথা আপনার দৈনন্দিন জীবনে ব্যাঘাত ঘটায়, তবে কিছু সহজ উপায়ে এই ব্যথা কমানো যায়:

  • উষ্ণ সেঁক: তলপেট ও পিঠের নিচের অংশে কিছুক্ষণ উষ্ণ কিছু ধরে রাখুন।
  • মালিশ: তলপেট, পিঠ ও কোমরে প্রায় ২০ মিনিট মালিশ করুন।
  • উষ্ণ পানিতে গোসল: উষ্ণ পানিতে গোসল করুন।
  • হালকা ব্যায়াম: হালকা শরীরচর্চা করুন।
  • যোগব্যায়াম: মাসিকের ব্যথা কমানোর জন্য নির্দিষ্ট কিছু যোগব্যায়াম করুন।
  • ধ্যান: ধ্যান করলেও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
  • পর্যাপ্ত পানি পান: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
  • আদা চা: কুসুম গরম পানিতে আদাকুচি মিশিয়ে পান করুন।
  • খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: চা, কফি, চকলেট, অ্যালকোহল এবং অতিরিক্ত তেল বা চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

এসব উপায়েও যদি ব্যথা না কমে, তবে প্যারাসিটামল নিতে পারেন। তাতেও সমস্যার সমাধান না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আরও পড়ুন

জীবনধারায় পরিবর্তন

দীর্ঘমেয়াদে উপকার পেতে হলে জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনুন:

  • স্বাস্থ্যকর খাবার: স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন, উদ্ভিজ্জ উৎসের খাবার ও উচ্চ আঁশসমৃদ্ধ খাবার খান। কাঠবাদাম ও আখরোট খেতে পারেন, দুধ ও দুধের তৈরি খাবার রোজ খান।
  • নিয়মিত শরীরচর্চা: নিয়মিত শরীরচর্চা করুন।
  • চাপমুক্ত জীবনযাপন: চাপমুক্ত জীবনযাপন করুন।
  • আরও পড়ুন

আরও কিছু বিষয়

কিছু উপসর্গ খেয়াল রাখুন, যেগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:

  • ব্যথার কারণে দৈনন্দিন কাজের ব্যাঘাত ঘটা।
  • সময়ের সঙ্গে ব্যথার তীব্রতা বাড়া।
  • অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়া।
  • মাসিক অনিয়মিত হওয়া।
  • ২৫ বছর বয়সের পর মাসিকের সময় নতুন করে তীব্র ব্যথা অনুভব করা।
  • ব্যথার সঙ্গে বারবার পাতলা পায়খানা হওয়া।
  • জ্বর হওয়া বা দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব যাওয়া।
  • মাসিক সেরে যাওয়ার পরেও ব্যথা থাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা | কি করনীয়

আপডেট সময় : ০৩:২৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

মাসিকের সময় তলপেটের ব্যথা: করণীয়

মাসিকের সময় তলপেটে খানিক ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। বিশেষত ২০ বছরের কম বয়সী মেয়েদের মধ্যে এমন ব্যথা বেশি হয়। তবে যেকোনো বয়সেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা অনিয়মিত মাসিক হলে ব্যথা তীব্র হতে পারে। কারো কারো মাসিক শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে থেকেই পেটব্যথা হতে পারে, যা মাসিক শুরু হওয়ার পর কমে যায়।

ব্যথা কমানোর উপায়

যদি মাসিকের ব্যথা আপনার দৈনন্দিন জীবনে ব্যাঘাত ঘটায়, তবে কিছু সহজ উপায়ে এই ব্যথা কমানো যায়:

  • উষ্ণ সেঁক: তলপেট ও পিঠের নিচের অংশে কিছুক্ষণ উষ্ণ কিছু ধরে রাখুন।
  • মালিশ: তলপেট, পিঠ ও কোমরে প্রায় ২০ মিনিট মালিশ করুন।
  • উষ্ণ পানিতে গোসল: উষ্ণ পানিতে গোসল করুন।
  • হালকা ব্যায়াম: হালকা শরীরচর্চা করুন।
  • যোগব্যায়াম: মাসিকের ব্যথা কমানোর জন্য নির্দিষ্ট কিছু যোগব্যায়াম করুন।
  • ধ্যান: ধ্যান করলেও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
  • পর্যাপ্ত পানি পান: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
  • আদা চা: কুসুম গরম পানিতে আদাকুচি মিশিয়ে পান করুন।
  • খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: চা, কফি, চকলেট, অ্যালকোহল এবং অতিরিক্ত তেল বা চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

এসব উপায়েও যদি ব্যথা না কমে, তবে প্যারাসিটামল নিতে পারেন। তাতেও সমস্যার সমাধান না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আরও পড়ুন

জীবনধারায় পরিবর্তন

দীর্ঘমেয়াদে উপকার পেতে হলে জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনুন:

  • স্বাস্থ্যকর খাবার: স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন, উদ্ভিজ্জ উৎসের খাবার ও উচ্চ আঁশসমৃদ্ধ খাবার খান। কাঠবাদাম ও আখরোট খেতে পারেন, দুধ ও দুধের তৈরি খাবার রোজ খান।
  • নিয়মিত শরীরচর্চা: নিয়মিত শরীরচর্চা করুন।
  • চাপমুক্ত জীবনযাপন: চাপমুক্ত জীবনযাপন করুন।
  • আরও পড়ুন

আরও কিছু বিষয়

কিছু উপসর্গ খেয়াল রাখুন, যেগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:

  • ব্যথার কারণে দৈনন্দিন কাজের ব্যাঘাত ঘটা।
  • সময়ের সঙ্গে ব্যথার তীব্রতা বাড়া।
  • অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়া।
  • মাসিক অনিয়মিত হওয়া।
  • ২৫ বছর বয়সের পর মাসিকের সময় নতুন করে তীব্র ব্যথা অনুভব করা।
  • ব্যথার সঙ্গে বারবার পাতলা পায়খানা হওয়া।
  • জ্বর হওয়া বা দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব যাওয়া।
  • মাসিক সেরে যাওয়ার পরেও ব্যথা থাকা।