ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্মার্টফোনে আবদ্ধ না থাকা এবং নার্সদের সেবা প্রাদানে মনোযোগ প্রকাশের আহবান।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪ ৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একজন রোগী হাসপাতালে পৌঁছালে, তিনি সরাসরি প্রথমেই নার্সদের সামনে আসেন। স্বাভাবিকভাবেই রোগী নার্সের হাসির মুখ এবং উত্তম ব্যবহার অপেক্ষা করেন।

তবে এই সমস্যার সমাধানে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি আলোচনা সভা, যা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি (বিএমএ) ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি (স্বাচিপ) ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. দেবেশ চন্দ্র তালুকদার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. আহম্মেদ হোসেন হারুন, বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শাখার সভাপতি মো. কামাল হোসেন পাটোয়ারীসহ নার্সিং অফিসাররা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেবা তত্ত্বাবধায়ক কারিমা খাতুন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সুপারভাইজর হারুন অর রশীদ দিপু।

ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, আজকের দিনটি নার্সদের জন্য আনন্দের ও গৌরবের। একটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ দিয়ে রোগী ভর্তি হয়ে নার্সদের সামনে আসে। এর মধ্যে ওই রোগীর সঙ্গে অনেকেই ভালোভাবে কথা বলেন, ভালো সেবা দেন। আবার অনেকেই দুর্ব্যবহার ও কর্কশ ভাষায় কথা বলেন। তবে এটা খুব কম। এই যেমন এক মণ দুধের মধ্যে এক ফোঁটা লেবুর রস।

তিনি বলেন, আমাদের নারী-পুরুষ নার্সদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তাহলে স্বাস্থ্যসেবার দিক দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাত আরও শক্তিশালী হবে। সামনে ঢাকা মেডিকেল পাঁচ হাজার শয্যায় উন্নীত হবে। তখন আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে যাবে। আপনারা সঠিকভাবে কাজ করলে রোগীরা ভালো সেবা পাবে।

ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অনেক উন্নত করেছেন। তিনি নার্সবান্ধব। এখনো অনেক নার্স বেকার। তাদের সরকারি চাকরি দিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি করতে হবে। বিদেশে গিয়ে দেখেছি, সেখানে নার্সদের সেবা ও তাদের স্থান অনেক উঁচুতে। সেই স্থানে আমাদের নার্সদেরও যেতে হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে উন্নত করতে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করবো। আপনাদের ন্যায্য দাবিগুলো অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী শুনবেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সবার জায়গা থেকে সব রোগীর সঙ্গে ভালোভাবে হাসি-খুশিতে কথা বলতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

স্মার্টফোনে আবদ্ধ না থাকা এবং নার্সদের সেবা প্রাদানে মনোযোগ প্রকাশের আহবান।

আপডেট সময় : ০৯:০৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

একজন রোগী হাসপাতালে পৌঁছালে, তিনি সরাসরি প্রথমেই নার্সদের সামনে আসেন। স্বাভাবিকভাবেই রোগী নার্সের হাসির মুখ এবং উত্তম ব্যবহার অপেক্ষা করেন।

তবে এই সমস্যার সমাধানে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি আলোচনা সভা, যা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি (বিএমএ) ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি (স্বাচিপ) ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. দেবেশ চন্দ্র তালুকদার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. আহম্মেদ হোসেন হারুন, বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শাখার সভাপতি মো. কামাল হোসেন পাটোয়ারীসহ নার্সিং অফিসাররা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেবা তত্ত্বাবধায়ক কারিমা খাতুন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সুপারভাইজর হারুন অর রশীদ দিপু।

ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, আজকের দিনটি নার্সদের জন্য আনন্দের ও গৌরবের। একটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ দিয়ে রোগী ভর্তি হয়ে নার্সদের সামনে আসে। এর মধ্যে ওই রোগীর সঙ্গে অনেকেই ভালোভাবে কথা বলেন, ভালো সেবা দেন। আবার অনেকেই দুর্ব্যবহার ও কর্কশ ভাষায় কথা বলেন। তবে এটা খুব কম। এই যেমন এক মণ দুধের মধ্যে এক ফোঁটা লেবুর রস।

তিনি বলেন, আমাদের নারী-পুরুষ নার্সদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তাহলে স্বাস্থ্যসেবার দিক দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাত আরও শক্তিশালী হবে। সামনে ঢাকা মেডিকেল পাঁচ হাজার শয্যায় উন্নীত হবে। তখন আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে যাবে। আপনারা সঠিকভাবে কাজ করলে রোগীরা ভালো সেবা পাবে।

ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অনেক উন্নত করেছেন। তিনি নার্সবান্ধব। এখনো অনেক নার্স বেকার। তাদের সরকারি চাকরি দিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি করতে হবে। বিদেশে গিয়ে দেখেছি, সেখানে নার্সদের সেবা ও তাদের স্থান অনেক উঁচুতে। সেই স্থানে আমাদের নার্সদেরও যেতে হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে উন্নত করতে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করবো। আপনাদের ন্যায্য দাবিগুলো অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী শুনবেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সবার জায়গা থেকে সব রোগীর সঙ্গে ভালোভাবে হাসি-খুশিতে কথা বলতে হবে।